ads

দীর্ঘদিন ধরে ইতালিতে বাংলাদেশী কোন শ্রমিক প্রবেশ করতে পারছিল না। অবশেষে ২৭ শে জানুয়ারি ২০২২ সাল থেকে ইতালির ভিসা আবেদন শুরু হয়ে গিয়েছে। বাংলাদেশের বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলে আবারও ইতালিতে ভিসা আবেদন শুরু হয়েছে। আপনি চাইলে আমাদের এই পোস্ট থেকে ইতালিতে ভিসা আবেদনের প্রসেসিং, কত টাকা খরচ পড়বে সকল তথ্য সম্পর্কে  জানতে পারবেন।  


bangladesh-to-Italy-visa 2022, Italy visa, ITALY VISA FROM BANGLADESH 2022, Italy Visa from Bangladesh, Italy Student Visa from Bangladesh, ইতালি ভিসা এপ্লিকেশন ফর্ম ফর বাংলাদেশী, Italy Visa & Entry Requirements, Italy visa for Bangladeshi citizens, Best Visa Service for Italy in Bangladesh, ইতালির ভিসা আবেদন 2022, ইতালি ভিসা ফরম, ইতালি ভিসা খরচ ২০২২, ইতালি স্পন্সর ভিসা ২০২২, ইতালি সার্কুলার ২০২২, ইতালি ভিসা আবেদন লিংক, ইতালি কৃষি ভিসা ২০২২ আবেদন ফরম, ইতালি স্পন্সর ভিসা, ইতালি ওয়ার্ক পারমিট ভিসা, ইতালি ভিসা খরচ 2022, ইতালি স্পন্সর ভিসা, ইতালি সার্কুলার, ইতালি ওয়ার্ক পারমিট ভিসা, ইতালি স্পন্সর ভিসা, ইতালি ভিসা আবেদন লিংক, ইতালি স্পন্সর ভিসা ২০২২ আবেদন, ইতালি ভিসা আবেদন ফরম, বাংলাদেশ থেকে ইতালি যাওয়ার উপায়, ইতালি ভিসা ২০২২ আবেদন, ইতালি ভিসা খরচ , ইতালি কৃষি ভিসা , আবেদন ফরম, ইতালি ভিসা এপ্লিকেশন ফর্ম ফর বাংলাদেশী, ইতালি সার্কুলার 2022 , Italy Visa For Bangladesh Italy Agriculture 2022, Visa for Italy,Italy Visa for Bangladeshi Students,


ইতালির ভিসার ধরন ২০২২ 

ইতালির ভিসা বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে।  তবে বাংলাদেশে মূলত দুই ধরনের ইতালির ভিসা সবার কাছে পরিচিত।  

  

                 ★ সিজনাল ভিসা (অস্থায়ী ভিসা)

                 ★ নন সিজনাল ভিসা (স্থায়ী ভিসা) 


ইতালির সিজনাল ভিসা ২০২২

সিজনাল ভিসা হচ্ছে স্বল্প মেয়াদী একটি ভিসা। এই ভিসার এর মাধ্যমে ৬ মাস অবস্থান করা যায়। ইতালি সিজনাল ভিসার মাধ্যমে ইতালিতে গেলে ৬ ছয় মাসের চুক্তিতে সেখানে অবস্থান করা যাবে।  6 মাস শেষ হয়ে গেলে উক্ত ভিসার মালিককে দেশে ফিরে আসতে হবে। না হলে উক্ত ব্যক্তি ইতালিতে অবৈধ বলে বিবেচিত হবে। দীর্ঘ প্রায় ৮ বছর পর বাংলাদেশিদের জন্য খুলছে।  ইতালিতে সিজনাল ভিসা।     

ইতালি সিজনাল ভিসা তে সাধারণত কৃষি, হোটেল, ট্যুরিজম বিষয়ক কাজের জন্য লোক নেওয়া হয়।  ছয় মাস পর কাজের চুক্তি শেষ হয়ে গেলে দেশে ফিরে আসতে হয় তাদের। একসময় বাংলাদেশ থেকে ইতালিতে নিয়মিত সিজনাল ভিসা দিয়ে লোকজন আসত ইতালিতে৷ নিয়ম অনুযায়ী, এ ধরনের লোকজনকে ছয় মাস পর দেশে ফিরে যেতে হয়। কিন্তু বাংলাদেশ থেকে আসা সিজনাল ভিসার শ্রমিকরা ইতালিতে প্রবেশ করার পর আর দেশে ফিরে আসতো না। তাই ইতালি সরকার বাংলাদেশের জন্য এই সিজনাল ভিসার সুবিধাটি বন্ধ করে দিয়েছিল। প্রায় দীর্ঘ ৮ বছর পর আবারও এই ভিসা টি চালু করল ইতালির সরকার। 


ইতালির নন সিজনাল ভিসা ২০২২

নন সিজনাল ভিসা হচ্ছে  স্থায়ী ভিসা। নন সিজনাল ভিসাকে জাতীয় ভিসাও বলা হয়ে থাকে। এই ভিসার মাধ্যমে আপনি যত দিন ইচ্ছে ইতালি তে stay করতে পারবেন। আপনি চাইলে সেখানে স্থায়ীভাবে বসবাস ও করতে পারবেন। এই ভিসার মাধ্যমে আপনি স্থায়ী কাজ, নিজের কোন ব্যবসা বা অন্যান্য স্থায়ী যে কোন বিষয়ের জন্য আপনি ইতালিতে অবস্থা করতে পারবেন। 


এছাড়াও ইতালিতে আরো অনেক রকমের ভিসা রয়েছে। 

যেমন:

• ফ্যামিলি ভিসা। 

• পুনঃপ্রবেশ ভিসা।  

• দক্ষ কর্মী ভিসা 

• স্টুডেন্ট ভিসা 

• টুরিস্ট ভিসা।  

• চিকিৎসা ভিসা।  

• আত্মকর্মসংস্থান  ভিসা। 

• ব্যবসায়ী ভিসা।  

• EU/ EUU নাগরিক আত্মীয় ভিসা। 

• নাবিক ভিসা। 

• ধর্মীয় প্রোগ্রাম মূলক ভিসা। 


ইতালিতে ভিসা আবেদনের পদ্ধতি 

ইতালিতে ভিসা আবেদন আপনারা দুইটি পদ্ধতিতে করতে পারবেন।  

প্রথম পদ্ধতিঃ কোন আত্মীয়-স্বজন ইতালিতে থাকলে বা কাছের কেউ ইতালিতে থাকলে তাদের মাধ্যমে ইতালি সরকারের কাছে আপনি আবেদন করতে পারবেন।  


দ্বিতীয় পদ্ধতিঃ কোন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে তাদের সাথে কাজের চুক্তির মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন। আবেদন করার পর আপনি নির্বাচিত হলে বাকি কাজগুলো করতে হবে। মনে রাখবেন এই প্রক্রিয়া  ইতালি যাওয়ার সময় সাপেক্ষ ব্যাপার। অযথা ভুল জাগায় হয়রানির শিকার হবেন না। 


ইতালির ভিসা আবেদনের জন্য যা যা প্রয়োজনীয় 

★ পূরনকৃত ও আবেদনকারী দ্বারা স্বাক্ষরিত ভিসা আবেদন ফরম লাগবে।  

★ নির্দিষ্ট 2 কপি ছবি লাগবে।  

★ বৈধ পাসপোর্ট লাগবে।  

★ প্রাসঙ্গিক Checklist অনুসারে সকল সমর্থ কাগজপত্র লাগবে।  

★ ভিসা আবেদন fees, DFS এবং ব্যাংকের বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রযোজ্য সার্ভিস চার্জ লাগবে।  


ইতালি ভিসা আবেদনের ফি কত 

ইতালির ভিসা আবেদন ফি সম্পর্কে আমরা অনেকেই জানিনা। ইতালি ভিসা আবেদন ফি অনেক কম ধরা হয়। আবেদন ফি মাত্র 600 থেকে 1200 টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে।  যদি কেউ লয়্যার নিযুক্ত করে তাহলে লয়্যারের ফি আলাদা করে দিতে হবে। লয়ার বাবদ আপনাকে ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা খরচ করতে হবে।  


ইতালি ভিসা আবেদন লিংক  

আপনারা যারা ইতালিতে ভিসা করতে চাচ্ছেন বা করেছেন তারা চাইলে আপনাদের বিষয়টি বৈধ কিনা সরকারি অনলাইনের এই লিংকের মাধ্যমে চেক করে নিতে পারেন।  

তাছাড়া এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আপনার ইতালি ভিসার জন্য আবেদন করতে পারবেন।  যারা পাসপোর্ট নাম্বার দিয়ে ইতালির ভিসা চেক করতে চান তারা এই লিংক দিয়ে করতে পারবেন। 


ইতালি ভিসা Application form 

যারা ইতালি ভিসার জন্য আবেদন করতে চান তারা চাইলে এই লিংক ক্লিক করুন ওয়েবসাইটের মাধ্যমে সরাসরি সেখান থেকে এই অ্যাপ্লিকেশন ফর্ম টি ডাউনলোড করতে পারেন।  



ইতালির ভিসা প্রসেসিং/ ইতালি ভিসা খরচ  

ইতালির ভিসা প্রসেসিং এর ব্যাপারটা অনেক বিষয়ের ওপর নির্ভর হয়ে থাকে।  যারা শুধুমাত্র ইতালিতে সিজনাল ভিসা যায় তারা ছয় মাসের মত সেখানে থাকতে পারে। আর এই সিজনাল ভিসা করার জন্য তাদের খরচ পরে ৪ থেকে ৫ লাখ টাকা। তবে ভিসার প্রকারভেদ এর কারণে খরচের বিষয়টা কমবেশি হতে পারে।  


তবে ইতালিতে যদি নন সিজনাল ভিসা পেতে চান তাহলে আগে সিলেক্ট করতে হবে আপনি কোন ভিসায় যেতে চান। ইতালিতে নন সিজনাল ভিসায় যেতে মোট খরচ হতে পারে ১০ থেকে ১২ লক্ষ টাকা।  


তবে আপনি যে ইতালিতে স্থায়ীভাবে থাকতে পারবেন এমন কোন ভিসা ইতালি তরফ থেকে বাংলাদেশকে এখনো দেওয়া হয়নি।  আশা রাখছি ইতালির ভিসার খরচ কত হতে পারে তা আপনারা বুঝতে পেরেছেন।  


আশা করছি,  আপনি Italy Visa - ইতালি ভিসা ২০২২ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পেরেছেন এবং ইতালি ভিসা আবেদন করার নিয়ম সম্পর্কে জানতে পেরেছেন।  তারপরও আপনার যদি কোন প্রশ্ন থাকে তাহলে কমেন্ট এর মাধ্যমে জানাতে পারেন।  আমাদের আর্টিকেলটি পড়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। আপনার জন্য শুভকামনা রইল।আজকের ব্লগের সঙ্গেই থাকুন।  ধন্যবাদ!

Post a Comment

Previous Post Next Post

ads p1

ads p2